গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া আওয়ামী লীগ কখনো সরকার গঠন করেনি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া আওয়ামী লীগ কখনো সরকার গঠন করেনি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ছাড়া আওয়ামী লীগ কখনো সরকার গঠন করেনি। জনগণের ভোটেই বারবার নির্বাচিত হয়েছে আওয়ামী লীগ। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আওয়ামী লীগের প্রস্তাবেই সবকিছুর সংস্কার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর’২৩) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশের ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক ও নির্বাচনের দল। দেশের গণতন্ত্রকে আওয়ামী লীগই সুসংহত করেছে। জনগণের ভোটের অধিকার আমরাই নিশ্চিত করেছি। নির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগ কখনো দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসেনি।

আগামী সংসদ নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টির পায়তাঁরা করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত দুটি জাতীয় নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হয়েছে। বিএনপি আবারও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা চালাচ্ছে। এজন্য তারা আবার আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান জাতির পিতার হত্যাকারীদেরকে ইনডেমনিটি জারি করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে। বিচারের হাত থেকে তাদেরকে মুক্ত রাখে। যুদ্ধাপরাধী, নারী ধর্ষণকারী, লুটপাটকারী, গণহত্যাকারী, অগ্নিসংযোগকারী, যেসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হয়েছিল তাদেরকে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়। যারা স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি, পাসপোর্ট নিয়ে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল তাদেরকেও ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসায়।

শেখ হাসিনা বলেন, ভোট চুরির যে কালচার, ডাকাতির যে কালচার, সেই কালচার তারা (বিএনপি) শুরু করে। আমি ধন্যবাদ জানাই উচ্চ আদালতকে, অবৈধ ক্ষমতার দখলকে অবৈধ ঘোষণা করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৮-এর নির্বাচন। আমরা রূপকল্প-২১ ঘোষণা দেই। আমরা সেই নির্বাচনে এককভাবে আওয়ামী লীগ ২৩৩টা সিটে আমরা জয়লাভ করি। আর বিএনপি পেয়েছিল মাত্র ৩০টা সিট। আর অন্যান্য সব দল মিলে বাকি সিট। এইভাবে আমরা সরকারে আসি। ২০১৪-এর নির্বাচনে আমরা জয়ী হই। তখনও নির্বাচন বানচালের অনেক চেষ্টা করা হয়; অগ্নিসন্ত্রাস শুরু হয়। এরপর আবার ২০১৮ সালেও নির্বাচনের একই ঘটনা।’

অনুষ্ঠানে সারাদেশে ২৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৫৭টি প্রকল্পের ১০ হাজার ৪১টি অবকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *