ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন শুরু

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলন শুরু

“আন্তর্জাতিককরণ এবং ভার্চুয়াল এক্সচেঞ্জ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এশিয়ান দেশগুলির মধ্যে সীমানাবিহীন” প্রতিপাদ্যের উপর ভিত্তি করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এর ইরাসমাস + সিবিএইচই হারমনি প্রকল্পের তিন দিনব্যাপী চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)-তে শুরু হয়েছে। বুধবার (১ নভেম্বর’২৩) বিশ্ববিদ্যালয়টির নলেজ টাওয়ারের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। চলবে ৩ নভেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত।

হারমোনি কনসোর্টিয়ামের এই সম্মেলনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য প্রকল্প অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সহযোগিতার প্রচার, জ্ঞান ভাগ করা এবং গবেষণার ফলাফলগুলি প্রদর্শন করা। এটি ইরাসমাস+ প্রোগ্রামের মধ্যে বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা এবং গুণমান বাড়ানোর জন্য একটি প্ল্য্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করবে। বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম, বুলগেরিয়া, লিথুয়ানিয়া, স্পেন এবং শ্লোভেনিয়া থেকে মোট ৫০ জন প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

স্পেনের জারাগোজা বিশ্ববিদ্যালয়েরর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সহযোগী ডিন এবং ইরাসমাস + সিবিএইচই হারমনি প্রকল্পের সমন্বয়কারী প্রফেসর রাফায়েল পাবলো মিগুয়েল গঞ্জালেজ, চতুর্থ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুব উল হক মজুমদার, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) এর উপাচার্য প্রফেসর ইমরান রহমান, বুলগেরিয়ার ভার্না ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্টের সভাপতি প্রফেসর টোডর কোলেভ রাদেভ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইরাসমাস + এর আঞ্চলিক প্রকল্প ব্যবস্থাপক (এশিয়া) ডঃ মোঃ আশিকুর রহমান, ডিআইইউ’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক পরিচালক ড. মোঃ ফোখরে হোসেন এবং উপ-পরিচালক সৈয়দ রায়হান উল ইসলাম এবং সাংবাদিকতা মিডিয়া এবং যোগাযোগ বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর রহমান।

হারমোনী প্রকল্পের লক্ষ্য ভারত, বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধুনিকীকরণ, অ্যাক্সেসযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিকীকরণে সহায়তা করা এবং ইউরোপীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে সহযোগিতায় অবদান রাখা। হারমোনী প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য এবং অংশীদার দেশগুলির মূল ভিত্তি হলো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সংস্কার প্রক্রিয়াগুলিকে প্রভাবিত করা এবং ট্রিগার করা, যা তাদেরকে শিক্ষা, গবেষণা, গতিশীলতা এবং পরিষেবার বিধানে কৌশলগতভাবে আন্তর্জাতিকীকরণ পরিচালনা করতে সক্ষম করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *