ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসের নতুন ডিরেক্টর ড. শায়লা সুলতানা

ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসের নতুন ডিরেক্টর ড. শায়লা সুলতানা

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসের ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ড. শায়লা সুলতানাকে। ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ এ তিনি ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসে যোগদান করেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি ডিরেক্টর হিসেবে নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

ড. শায়লা সুলতানা একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ মর্ডান ল্যাঙ্গুয়েজেস এর ডিপার্টমেন্ট অফ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজের হেড এর দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বনামধন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং বইয়ে ৭০টিরও বেশি নিবন্ধ ও অধ্যায় রচনা করে ফলিত ভাষাবিজ্ঞান এবং সমাজ ভাষা বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিন বছর বাংলাদেশ থেকে ভাষাবিজ্ঞান ও সাহিত্যে সর্বাধিক সাইটেশন পেয়েছেন তিনি। এডি সাইন্টেফিক ইনডেক্স এর তথ্যমতে, সামাজিক বিজ্ঞানে সবচেয়ে বেশি সাইটেশনের ক্ষেত্রে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।

ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, ভাষা ও পরিচয় রূপান্তরের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি, ভাষা সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচার, ভাষা ও জেন্ডার, অব-উপনিবেশিকরণ ও উত্তর-ঔপনিবেশিক প্রেক্ষাপটে ইংরেজির বিরাজনীতিকরণ, সমালোচনামূলক ও উত্তর-মানবতাবাদ ফলিত ভাষাতত্ত্বসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ক্ষেত্রে ড. শায়লার বিস্তৃত পদচারণা রয়েছে। ড. শায়লা সুলতানা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি সিডনি এবং কিংস কলেজ লন্ডনের মতো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন।

ড. সুলতানা ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেসে নব উদ্যম আনবেন, যা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক অ্যাকাডেমিক অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ভাষাবিজ্ঞানে ড. সুলতানার অসামান্য অবদানের প্রতি ইতিবাচক ও দৃঢ় আস্থা পোষণ করেছেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর এবং ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ। ড. সুলতানার যোগদান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেন তিনি এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন তার নেতৃত্বে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস নতুন উচ্চতায় আরোহণ করবে, যা একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুসংহত করবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *