মানারাত ইউনিভার্সিটির নতুন ট্রেজারার ঢাবি অধ্যাপক ড. আব্দুস সবুর খান (শাকির সবুর)

মানারাত ইউনিভার্সিটির নতুন ট্রেজারার ঢাবি অধ্যাপক ড. আব্দুস সবুর খান (শাকির সবুর)

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক ও সাহিত্যিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর খান (শাকির সবুর)। আজ ২১ অক্টোবর ২০২৩ (শনিবার) তিনি এ পদে যোগদান করেন।

এ সময় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যতম সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন প্রফেসর ড. সাদেকা হালিম, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দিন-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভ্যর্থনা জানান।

১৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর খানকে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এঁর অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা ৩৩ (১) অনুযায়ী ড. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর খান, প্রফেসর এবং সাবেক চেয়ারম্যান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর ট্রেজারার পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

প্রসঙ্গত, ড. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর খান (শাকির সবুর) প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে দুই যুগেরও বেশি সময়কাল শিক্ষকতা করছেন। তিনি এ বিভাগের চেয়ারম্যান (১২ নভেম্বর ২০১৪ থেকে ১১ নভেম্বর ২০১৭) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার বাসাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি অনুবাদ, গবেষণা ও মৌলিক সাহিত্য সৃষ্টিতে সমান পারঙ্গম একজন সফল লেখক। তিনি শাকির সবুর নামে সাহিত্যাঙ্গনে বেশি পরিচিত। এ নামেই তিনি লিখে থাকেন। এ যাবত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩৪টি। তিনি ২০২২ সালে ইরান সরকার কর্তৃক ২৯তম ইরানস ওয়ার্ল্ডবুক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন।

তিনি মৌলিক গল্প-উপন্যাস রচনার পাশাপাশি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্য ও ফারসি উভয় ভাষায়ই অনুবাদ করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি ‘ইস্তেগাহে গৌরিপুর’ শিরোনামে আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের কিংবদন্তি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘গৌরিপুর জংশন’-এর ফারসি অনুবাদ করেন। ২০১১-তে ‘তার চোখগুলো’ শিরোনামে সমকালীন ইরানের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক বুজর্গে আলরভির বিখ্যাত উপন্যাস ‘চেশমহয়াস’-এর বাংলা অনুবাদ করেন। বাংলা ভাষায় অনূদিত এটিই প্রথম কোনো ফারসি উপন্যাস।
তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনী ফারসি ভাষায় অনুবাদ করেছেন, যা ২০১৩-তে প্রকাশিত Poet of Politics গ্রন্থে অনুর্ভুক্ত হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *