স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বদ্ধপরিকর আইসিটি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. একেএম মুজাহিদুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে বদ্ধপরিকর আইসিটি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. একেএম মুজাহিদুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে ১২৭২ ব. কি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ শরীয়তপুর নামে একটি জেলা গঠিত হয় যার একদিকে প্রচণ্ড পরাক্রমশালী পদ্মা ও আরেক দিকে মেঘনা, এবং যার উত্তরে মুন্সিগঞ্জ, দক্ষিণে বরিশাল, পূর্বে চাঁদপুর, ও পশ্চিমে মাদারীপুর। ৬টি উপজেলা এবং ৮টি থানা নিয়ে গঠিত এই জেলাটির মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৩ লক্ষ যার প্রায় ৫২ শতাংশ নারী এবং ৪৮ শতাংশ পুরুষ। ৬১ শতাংশ কৃষি নির্ভর জনগোষ্ঠীর এই অঞ্চলটিতে স্বাক্ষরতার হার প্রায় ৭৬ শতাংশ। রাজধানী ঢাকা থেকে শরীয়তপুর এর দূরত্ব মাত্র ৯৮ কি. মি. হওয়া সত্ত্বেও এখানকার জনগোষ্ঠীর প্রায় ৪৪ শতাংশ এখনো দরিদ্র যার ২১ শতাংশ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে।

এই জেলাটিতে রয়েছে ৩টি সংসদীয় আসন – শরিয়তপুর সদর ও জাজিরা নিয়ে গঠিত শরিয়তপুর -১, নড়িয়া এবং সখিপুর নিয়ে গঠিত শরিয়তপুর -২ এবং ডামুড্যা, গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ২২৩ নং শরিয়তপুর-৩ আসন। কৃষি নির্ভর এই অঞ্চলে ব্যাবসা এবং রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে যুগ যুগ ধরে ডামুড্যার নাম সুপ্রতিষ্ঠিত।
শরীয়তপুর-৩ আসনে এবারই প্রথম বারের মতো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন ইউ আই ইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক এবং ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স এর ডিরেক্টর দেশবরেণ্য আইসিটি অধ্যাপক ড. এ কে এম মুজাহিদুল ইসলাম।

মনোনয়নপত্র জমা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে। জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা তৈরিতে ডিজিটাল বাংলাদেশ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরেই বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশের সৎ, শিক্ষিত এবং মেধাবী সন্তানদের পাশে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’বিনির্মাণে কাজ করে যেতে চাই ইনশাল্লাহ। শরীয়তপুরের মাটি বঙ্গবন্ধুর ঘাঁটি, জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘাঁটি। শরীয়তপুর-৩ নৌকার মাটি, নৌকার দেশ, শরীয়তপুরের মানুষ নৌকাতেই ভোট দিবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নমিনেশন দিলে ইনশাল্লাহ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে দক্ষিণ ডামুড্যায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা এবং উত্তর ডামুড্যায় বিয়ে করা এই মেধাবী অধ্যাপক বলেন। দল এখানে যাকেই মনোনয়ন দেবেন, তাকেই বিজয়ী করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব এবং শতভাগ বিজয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।

দেশ বরেণ্য মেধাবী এই আইসিটি বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক একজন ত্যাগী আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান। আওয়ামী পরিবারে জন্ম এবং ১৯৭৫ পরবর্তী নানা ঘাত এবং প্রতিঘাতে বেড়ে ওঠার কারনে এই অধ্যাপক এবং তার পরিবারকে নানান চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে। আর তাই বিদেশে পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন এবং শিক্ষকতার পেশার কারনে উন্নত জীবনের হাতছানি উপেক্ষা করে পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক স্ত্রী এবং ২ সন্তান নিয়ে জন্মভুমির প্রতি নিছক ভালোবাসার টানে এবং দেশকে আরও বেশী প্রতিদানের আশায় বাংলার মাটিতে ফিরে এসেছেন। শিক্ষকতা, গবেষণা এবং জনসেবার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি এবং আইইবি এর সাথে রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষা এবং আইসিটি উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদ গঠনে তিনি অগ্রণী ভুমিকা রেখেছেন এবং প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায়, ২৪শে নভেম্বর ২০২৩ সালের বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের জাতীয় সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে তিনি একক প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন।

স্ত্রী, সহযোগী অধ্যাপক ড. শামসুন্নাহার খানম বি ইউ পি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বাবা অধ্যক্ষ তমিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ডামুড্যার পূর্ব মাদারীপুর কলেজের অধ্যক্ষ (১৯৬৯ সাল থেকে ২০০২ সাল অবধি) এবং আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর একজন একনিষ্ঠ কর্মী। ষাটের দশকে ছাত্রলীগের রাজনীতির করা শরীয়তপুরের এই সূর্য সন্তান ছিলেন শরীয়তপুর – ৩ আসন তথা গোটা শরীয়তপুরের আওয়ামীলীগ রাজনীতির একজন সর্বজন গৃহীত থিংক ট্যাংক। ফলশ্রুতিতে, ১৯৯১, ১৯৯৬, এবং ২০০১ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তিনি ২২৩ শরিয়তপুর-৩ আসনে নৌকা মার্কার প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী। ৫ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ২য়। তিন বোন এবং তিন দুলাভাইদের সবাই ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত এবং ছোট ভাই কানাডায় বিবিএ অধ্যায়ন শেষে কানাডার ইনভেসকো কোম্পানিতে চাকুরিরত যার স্ত্রী কানাডার একজন ব্যাংক কর্মকর্তা।

শশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শাহাদাত হোসেন খাঁন ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। তিনি ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দারুলামান ইউনিয়নের ২বারের চেয়ারম্যান। শাশুড়ি ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং জেলা আওয়ামীলীগের উপদেস্টা।
খালাতো ভাই মাননীয় পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, এম পি শরীয়তপুর ২ আসনের নির্বাচিত এম পি। আরেক খালাতো ভাই বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ডঃ একেএম আমিনুল হক, এনডিসি।
আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এই অধ্যাপক এবং নেতা বলেন, দেশের উন্নয়ন কাজ তরান্বিত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তিনি বদ্ধ পরিকর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *